রোনালদো-সালাহকে হারিয়ে ফিফার বর্ষসেরা মদ্রিচ
ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন লুকা মদ্রিচ। টানা দুবারের বিজয়ী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও লিভারপুলের হয়ে অভিষেক মৌসুমে আলো ছড়ানো মোহামেদ সালাহকে হারিয়ে ‘দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন ক্রোয়াট এই মিডফিল্ডার।
সোমবার লন্ডনে ‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে এ বছরের সেরা ফুটবলার হিসেবে মদ্রিচের নাম ঘোষণা করা হয়।
আর এর মধ্য দিয়ে ১০ বছর পর লিওনেল মেসি ও রোনালদোর বাইরে অন্য কেউ বর্ষসেরার কোনো পুরস্কার জিতল। গত এক দশকে ফিফার বর্ষসেরা অথবা ব্যালন ডি’অর- সব জেতেন দুই তারকার যে কোনো একজন।
ইতিহাসের প্রথম ক্লাব হিসেবে রিয়ালের টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মদ্রিচের। মাদ্রিদের ক্লাবটির হয়ে গত মৌসুমে উয়েফা সুপার কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপাও জিতেন তিনি।
আর রাশিয়া বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখেন মদ্রিচ। টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দারুণ খেলেন তিনি, দুটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করান ১টি। জিতেন আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’।
ফিফার বর্ষসেরা ও ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর ব্যালন ডি’অর পুরস্কার শুরুতে আলাদাভাবে দেওয়া হতো। পরে ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছয় বছর দুটি পুরস্কার একীভূত হয়। তবে ২০১৬ সাল থেকে আবার আলাদাভাবে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার দুটি।
বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলা বেলজিয়ামের থিবো কোর্তোয়া। অগাস্টে চেলসি ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
আগের ১০ বারের বিজয়ীরা:
সাল
|
ফিফা বর্ষসেরা
|
ব্যালন ডি’অর
|
২০০৮
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
২০০৯
|
লিওনেল মেসি
|
লিওনেল মেসি
|
একীভূত ফিফা ব্যালন ডি’অর
| ||
২০১০
|
লিওনেল মেসি
| |
২০১১
|
লিওনেল মেসি
| |
২০১২
|
লিওনেল মেসি
| |
২০১৩
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
| |
২০১৪
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
| |
২০১৫
|
লিওনেল মেসি
| |
দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার
|
ব্যালন ডি’র
| |
২০১৬
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
২০১৭
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
|
বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন মার্তা। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বছরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন ৩২ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান। এর আগে ২০০৬-২০১০, টানা পাঁচবার পুরস্কারটি জিতেছিলেন তিনি।
বর্ষসেরা নারী কোচের পুরস্কার জিতেছেন ফ্রান্সের রেইনাল পেরহোস। তার অধীনে গত মৌসুমে লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতে অলিম্পিক লিওঁর মেয়েরা।
No comments